• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪

পার্বতীপুরে বড়পুকুরিয়া খনিতে কয়লার মূল্য হ্রাস

Parbatipurমাহবুবুল হক খান, দিনাজপুর: দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে কয়লার মূল্য হ্রাস করা হয়েছে। পুর্বের মূল্য অপেক্ষা কয়লার মূল্য টনপ্রতি ২ হাজার ৪শ’ টাকা কমিয়ে এখন প্রতিটন কয়লা ১০ হাজার ২শ’ টাকা নির্ধারন করা হয়েছে। বর্তমানে কয়লার মজুত বৃদ্ধি পাওয়ায় কয়লার বিক্রি বাড়াতেই ফেব্রুয়ারী মাসের প্রথম দিন থেকে এই উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন।
খনির সংশ্লিট সুত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালের অক্টোবর পর্যন্ত প্রতিটন কয়লার মুল্য ছিল ১১ হাজার ৫শ’ টাকা। কিন্তু ওই সালের নভেম্বর মাস থেকে কয়লার মূল্য বৃদ্ধি করে প্রতিটন কয়লার মূল্য ১২ হাজার ৬শ’ টাকা নির্ধারন করা হয়। এতে কয়লার দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় কয়লার বিক্রি কমে যায়। যার ফলে অবিক্রিত কয়লার মজুত বৃদ্ধি পেতে থাকে। বর্তমানে অবিক্রিত মজুত কয়লার পরিমান ৪ লাখ মে. টন। অতিরিক্ত কয়লার মজুত বৃদ্ধি পাওয়ায় মজুত কয়লার স্তুপে দুর্ঘটনার আসঙ্কা থাকায় খনি কর্তৃপক্ষ কয়লার বিক্রি বৃদ্ধি করতে টন প্রতি কয়লার মুল্য ২ হাজার ৪শ’ টাকা কমিয়ে প্রতিটন কয়লার মূল্য ১০ হাজার ২শ’ টাকা নির্ধারন করেছে।
খনির মহাব্যাবস্থাপক (মাইনিং) হাবিব উদ্দিন আহম্মেদ বলেন, বিদেশ থেকে আমদানীকৃত কয়লা অপেক্ষা বড়পুকুরিয়া খনির কয়লা অনেক উন্নত ও সালফারের পরিমান কম। এতে জ্বালানীতে সাশ্রয় ও পরিবেশবান্ধব হওয়ায় বড়পুকুরিয়া খনির কয়লার চাহিদাও অনেক বেশি। তিনি আরো বলেন, প্রতিদিন খনিতে গড়ে ৫ থেকে ৬ হাজার মে.টন কয়লা উৎপাদন হয়।
অপরদিকে বড়পুকুরিয়া তাপবিদুৎ কেন্দ্রে প্রতিদিন ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫শ’ মে.টন কয়লা প্রয়োজন হয়। এ কারনে প্রতিদিনেই ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার মে.টন কয়লা অবিক্রিত মজুত হয়, এই কয়লা খনি কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন ইটভাটা মালিক ও বয়লার চালিত কলকার খানার মালিকের নিকট বিক্রি করে। এদিকে কয়লার মুল্য কমে যাওয়ায় খনিতে কয়লা বিক্রি বেড়ে গেছে। খনি ইয়াডে শতশত ট্রাক কয়লা বহন করার জন্য সকাল থেকে জড়ো হতে দেখা গেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ